আহলে সুন্নাহের আকীদা কোরআনে অনেক ভুল আছে।

(প্রকাশনার ভিন্নতার কারনে রেফারেন্স নং বদলিয়ে যেতে পারে)

আহলে সুন্নাহের কুতুবে হাদিস ও তাফাসীরের ভরপুর লেখা হয়েছে যে কুরানে ভুল আছে। আশ্চার্য জনক ভাবে তারা সুধু কুরানে বাড়তি আছে এবং কুরান থেকে অনেক কিছু বাদ দেওয়ায় হয়েছে এই আকীদা রাখে না সাথে কুরানে ভুল আছে সেই আকীদাও রাখে যা কুফরি ছাড়া কিছুই নয়। এখানে আমরা সামান্য কিছু তুলে ধরবো।

১) আহলে সুন্নার তৃতিয় খলিফা উসমানের নিজের স্বীকার উক্তি যে তার সংকলনের কুরআনে কিছু ভুল ভ্রান্তি আছে।

যখন বলা হল যে সেগুলিকে ঠিক করা হোক তখন উসমান বললেন যে আরবরা নিজেরাই পড়ার সময় সঠিক করে পড়ে নেবে। এই নিয়ে আহলে সুন্নার তাফসীর ও কুরানের উপর লেখা প্রচুর গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন নিচে কিছু দেওয়া হল।

১) আল ইতকান, জালালুদ্দিন সুয়ুতি।

২) তাফসীর এ রুহুল মা’নি, আল্লামা আলুসি।

৩) তাফসীরে আল কাবীর, আল্লামাহ ফকরুদ্দিন রাজী।

৪) তাফসীর এ কুরতুবি।

৫) তাফসীর এ দুররুল মান্সুর। আল্লামাহ জালালুদ্দিন সুয়ুতি।

৬) তাফসীরে বাগভী।( মা’আলা আল তাঞ্জীল)

৭) তাফসীরে মাযহারি।

৮) তাফসীরে আস সালাবী।

নিচে তাফসীরে মাযহারী এর স্ক্রীন শট দেওয়া হল। সূরা নিশা এর ১৬০ নং আয়াতের অধিনে, বাংলা ৩ নং খণ্ড।

এখানে এই ব্যাখ্যা চলে না যে তাফসীর কারকগন অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কারণ আয়শা উসমান অকপটে বলেছেন যে এইগুলি ভুল। ফায়সালা সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের উপর ছেঁড়ে দিলাম।

২) আহলে বকরি মতে কুরআনে ভুল আছে  সুরা নুরে ২৭ নং আয়াতে ভুল আছে।

এখন আরও একটা দেওয়া হল যেখানে আহলে সুন্না ইবনে আব্বাস, ইবনে মাসুদ, সাইদ বিন যুবাইরের বরাত দিয়ে দাবী করেছে যে কুরআনে ভুল আছে।

সূরা নুরের ২৭ নং আয়াতঃ

বাংলা উচ্চারনঃ

“ইয়া আইউহাল্লাজিনা আমানু লা তাদখুলু বুউতান গাইরা বুউতিকুম হাত্তা তাস্তানিসূ ওয়া তা সাল্লিমু…………”।

আরবিঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّىٰ تَسْتَأْنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَىٰ أَهْلِهَا ۚ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ

ইংরাজী উচ্চারনঃ

Ya ayyuha allatheena amanoo la tadkhuloo buyootan ghayra buyootikum hatta tastanisoo watusallimoo AAala ahliha thalikum khayrun lakum laAAallakum tathakkaroona

বাংলা মানেঃ

ওহে যারা ঈমান এনেছ! নিজেদের গৃহ ছাড়া তোমরা গৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমরা অনুমতি নিয়েছ ও তাদের বাসিন্দাদের সালাম করেছ। এইটিই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যেন তোমরা মনোযোগ দিতে পার।

অনলাইন এ এখানে দেখতে পারেনঃ http://www.quran.gov.bd/home/selectSura.html

সুতারং আমাদের হাতে যে কুরআন আছে সেখানে তাস্তানিসূ আছে। কিন্তু আহলে বকরির মতে এটা ভুল এবং এই বিষয় তারা উপরে উল্লেখিত সাহাবাদের সাহায্য নেয়।

আহলে সুন্নার বিভিন্ন কিতাব সমুহে এই বিষয় উল্লেখ হয়েছে, নিচে কিছু লিস্ট দেওয়া হল।

১) ইতকান খণ্ড ১ পাতা ২২৮। জালালুদ্দিন সুয়ুতি।

২) তাফসীর দুররুল মানসুর, এই আয়াতের ব্যাখ্যায়। জালালুদ্দিন সুয়ুতি।

৩) মুসতাদরক আল হাকিম। খণ্ড ৩ পাতা ২৫৩।

৪) তাফসীর তাবারী।

৫) তাফসীর রুহ হুল মানি।

৬) তাফসীর বাহার আল মুহিত।

৭) তাফসীর আল কবির। ফরকরুদ্দিন রাজী

৮) ফাতহুল বারী সারাহ সাহিহ আল বুখারি। ইমাম হাজর আস্কালানি।

৯) তাফসীর ফাতহ আল কাদীর।

১০) তাফসীর আল লুবাব।

ইমাম হাকিম তার মুসতাদরক ‘আলা সাহিহহাইন’ এ উল্লেখ করেছেনঃ  অন লাইন লিংকঃ

 حدثنا أبو علي الحافظ أنبأ عبدان الأهوازي ثنا عمرو بن محمد الناقد ثنا محمد بن يوسف ثنا سفيان عن شعبة عن جعفر بن إياس عن مجاهد عن ابن عباس رضي الله عنهما : في قوله تعالى : { لا تدخلوا بيوتا غير بيوتكم حتى تستأنسوا } قال : أخطأ الكاتب حتى تستأذنوا

মুজাইহিদ বর্ণনা করেছেনঃ

“ইবনে আব্বাস রাঃ আল্লাহ তালার এই বক্তব্য {ইয়া আইউহাল্লাজিনা আমানু লা তাদখুলু বুউতান গাইরা বুউতিকুম হাত্তা তাস্তানিসূ } সমন্ধে বলতেন এটা লেখকের ভুল, (আসলে) হবে তাসতাযিনু”।

এটাকে ইমাম হাকিম বলেছেন “ এই হাদিস শেইখাইনের (বুখারি ও মুসলিম) মানদণ্ডে সহিহ”।

ইমাম যাহাবি “বুখারি ও মুসলিমের শর্তের উপর। (অর্থাৎ সহিহ এবং বুখারি ও মুসলিম শরীফের মানদন্ডে সহিহ)

হাফিজ ইবনে হাজর আস্কালানি উল্লেখ করেছেনঃ

اخرج سعيد بن منصور والطبري والبيهقي في الشعب بسند صحيح أن ابن عباس كان يقرأ حتى تستأذنوا ويقول أخطأ الكاتب

“সাইদ বিন মান্সুর, তাবারি এবং বাইহাকী তার শাইব এ সহিহ সনদ সহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে ইবনে আব্বাস পড়তেন ‘ হাত্তা তাস্তাযিনু’ এবং বলতেন লেখক ভুল করেছেন”।

তাবারি তার তফসীরে ইবনে আব্বাস থেকে অন্য একটা সহিহ সনদে উল্লেখ করেছেনঃ

حدثنا ابن بشار قال ثنا محمد بن جعفر قال ثنا شعبة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في هذه الآية { لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا } وقال إنما هي من خطأ الكاتب { حتى تستأذوا وتسلموا

“………ইবনে আব্বাস এই আয়াত {“ইয়া আইউহাল্লাজিনা আমানু লা তাদখুলু বুউতান গাইরা বুউতিকুম হাত্তা তাস্তানিসূ ওয়া তা সাল্লিমু…} ব্যাপারে বলতেন এটা লেখকের ভুল, এটা হবে {“হাত্তা তাস্তাযিনু”}”।

 আরও বিখ্যাত সালফে সালাফ তাবে’ঈ সাইদ বিন যুবাইর বলেছেনঃ

حدثنا ابن المثنى قال ثنا وهب بن جرير قال ثنا شعبة عن أبي بشير عن سعيد بن جبير بمثله غير أنه قال : إنما هي { حتى تستأذنوا } ولكنها سقط من الكاتب

“………… এটা হওয়া দরকার {“হাত্তা তাস্তাযিনু”} , কিন্তু লেখকের ভ্রান্তি”।

কাজী শাওকানি লিখেছেনঃ

“…………ইবনে আব্বাস এই আয়াত সমন্ধে বলেছেন ‘এটা লেখকের ভুল’”।

এই একই ধরনের কথা বর্নিত হয়েছে ইবনে মাসুদ , উবাই ইবনে কাব থেকে যা উপরে উল্লেখিত আহলে সুন্নার কিতাব সমূহ থেকে পাওয়া যায়।

এখানে আহলে বকরি ও নাসিবিদের এই গান চলবে না যে এটা কুরআনের তাহরিফ এর বিষয় নয় বরং বিভিন্ন কেরাতের বিষয়। কারণ এখানে সাহাবীগন বলছেন যে এটা লেখকের ভুল।

আরও বকরিদের ঐ কেরাতের অজুহাত ভেংয়ে দেয় আহলে সুন্নার কিছু উলেমা যারা এটাকে অস্বীকার করার চেস্টা করেছে কারন তারা অস্বস্তিতে পড়ে এবং বলে এটা কুরআনে তাহরিফের দরজা খুলে দেবে, ইসলামে ফল্ট এসে যাবে। সুতারং তারা এই গ্রাউন্ড থেকে নিজেদেরকে লুকিয়ে নিতে চায়। কিন্তু এটা যে তাহরিফকেই প্রমান করে কেরাতের ভিন্যতা নয় সেটা স্বীকার করতে বাধ্য হয়।

এই বিষয় সুন্নি আলেমদের বেশ কিছু লিখেছেন একটা উল্লেখ করলামঃ

আহলে সুন্নার ইমাম ইবনে আদিল দামেস্কি আল হাম্বালি (মৃঃ৮৮০ হি) তার তাফসীর লুবাব এ লিখেছেনঃ

“ইবনে আব্বাস বলেছেন এটা “হাত্তা তাস্তাযিনু”  এবং এটা কেরাতের ভিন্নতা নয়। যেটা বলা হয়েছে ‘তাস্তানিসু’ লেখকের ভুল। অনেকে কুরআনের সত্যতার প্রশ্নে এটাকে রিজেক্ট করে দিয়েছে …………………… দুটি দরজা খুলে যাবে যাতে পুরো কুরআনের সত্যতার প্রশ্ন উঠবে”। (অন লাইন লিংক)

এখন আহলে সুন্নার কাছে তিনটি বিকল্প আছে

১) কুরআনে তাহরিফ মানলে ও কাফের নয়।

    নইলে

২) ইবনে আব্বাস রাঃ সহ অন্যান্য সাহাবরা কাফের।

৩) অথবা যারা এই হাদিস্কে সহিহ বলেছেন তারাও কাফের।

আর এটা কাউকে বলতে লাগবে না যে যারা এটাকে কুরানের সত্যতার প্রশ্নে অস্বীকার করেছে তারা নিজের মুখ নিজে বালিতে ঢুকিয়ে লজ্জা নিবারন করেছে এবং মুনকারে হাদিসে পরিনত হয়েছে। তাদের উচিৎ কুরান ও হাদিস নিয়ে কোন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকা।

৩) আয়শা কুরানের বিশুদ্ধতাকে অস্বীকার করে উসমানের বানানো কুরানে ভুল আছে বলে দেখালো!

  এই বিষয় আমরা তথাকথিত আহলে সুন্নাদের কুতুবের তাফাসীর ও অন্যান্য কেতাবের আশ্রয় নেব।

১) তাফসীর তাবারী সুরা নিসা এর আয়াত নং ১৬২।

২) তাফসীর গারাইব আল কুরান, সুরা নিশা।

৩) তাফসীর দুররুল মান্সুর, সুরা নিশা।

৪) তাফসীর সালাবী, খন্ড ৬ পাতা ২৫০।

৫) আল ইতকান, খন্ড ১ পাতা ২১০।

৬) তাফসীরে রুহুল মানি খন্ড ১ পাতা ৩১।

৭) তাফসীর মা’আলিম আল তাঞ্জিল, খন্ড ৪ পাতা ২২১।

8) আল মুহাযারাত, খণ্ড ৩ পাতা ৪৩৫

আয়শার এই সাক্ষ্য আমরা তাফসীরে সালাবী থেকে তুলে ধরছিঃ (স্ক্যানের জন্য ক্লিক করুন)

أخبرنا أبوبكر بن عبدوس وأبو عبدالله بن حامد قالا : حدثنا أبوالعباس الأصم قال حدثنا : محمد بن الجهم السمري قال حدثنا الفراء قال حدثني أبومعاوية عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها سئلت عن قوله سبحانه في النساء { لكن الراسخون } { والمقيمين } وعن قوله في المائدة { إن الذين آمنوا والذين هادوا والصابئون } وعن قوله { إن هذانِ لساحران } فقالت : يا بن أخي هذا خطأ من الكاتب

“আবু বকর বিন আব্দুস ও আবু আব্দুল্লাহ বিন হামিদ বর্ননা করেছে আবু আব্বাস আল আসিম থেকে-মুহাম্মাদ বিন জাহম আল সামরী- আল ফারা –আবু মুয়াবিয়া –হিসাম বিন উরুয়া-উরুয়া-আয়শাকে জিজ্ঞাস করা হল সুরা নিশা এর আয়াত (১৬২) “লাকিনি আর-রাসেখুন” এবং “ওয়া আল-মুকীমিন” আর তাঁর বানী মায়দার  (৬৯) “ইন্না আল্লাযীনা আমানু ওয়াল্লাযীনা হাদু ওয়াস স্ববেউন”  আর তাঁর বানী (ত্বহা ৬৩)“ইন হাযানি লিসাহিরান”  । আয়শা উত্তর দিল ‘হে আমার বোনপো! এটা লেখকের ভুলের জন্য (এই রকম হয়েছে)”।

সনদ বিশ্লেষণঃ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুসঃ যাহাবী বলেছে ‘ইমাম’ (সিয়ার আলাম নাবুলা খঃ১৭ পাঃ৫৮। আবু আব্দুল্লাহ বিন হামিদঃ যাহাবী ব্লেছে ‘শেইখ ও হাম্বালিদের মুফতি’(সিয়ার আলাম নাবুলা ১৭/২০৩)। আবু আব্বাস আল আসিমঃ যাহাবী বলেছেন শীকা ( তাজকিরাতুল হুফফায ৩/৮৬০)। মুহাম্মাদ বিন জাহম আল শামরিঃ যাহাবী বলেছেন ‘দারকুতনী বলেছে সে শিকা ছিল’ ( সিয়ার আলাম নাবুলা ১৩/১৬৪)।  ফারা বিন ইয়াইয়াঃ যাহাবী বলেছেন ‘শীকা’ (সিয়ার ১০/১১৯)। আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মাদ বিন খাজেমঃ যাহাবী বলেছেন ‘সাবিত’ ( তাজকীরাতুল হুফফাজ ১/২৯৪)। হিসাম বিন উরুয়াঃ যাহাবী বলেছেন ‘হুজ্জা’ ( তাজকিতাতুল হুফফাজ ১/১৪৪০। উরুয়া বিন যুবাইর ঃ যাহাবী বলেছেন সাবিত (তাজকিরাতুল হুফফাজ ১/৬২)

নাসবীদের প্রায় দেখা যায় বলে শিয়ারা উসমানকে অভিযোগ করে কুরানে ভুল করার জন্য। আসলে দেখা যাচ্ছে যে আয়শা উসমানের মুসহাফের প্রতি অভিযোগ করছে!!

এখনে নাসেবীদের কোন গান চলবে না কারণ এখানে আয়শা সোজাসুজি বলেছে যে এটা এলখকের ভুল। উপরে আমরা দেখিয়েছি যে এই হাদিসের সনদ সহিহ তা সত্ত্বেও আল ইতকান থেকে তুলে ধরা হচ্ছে যেখানে সুউতি এই হাদিসকে সাহিহ বলেছেন।

قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ فِي فَضَائِلِ الْقُرْآنِ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: “سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ لَحْنِ الْقُرْآنِ عَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى: {إِنْ هَذَانِ لَسَاحِرَانِ} وَعَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى: {وَالْمُقِيمِينَ الصَّلاةَ وَالْمُؤْتُونَ الزَّكَاةَ} وَعَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى: {إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَالَّذِينَ هَادُوا وَالصَّابِئُونَ} فقالت: يا بن أَخِي هَذَا عَمَلُ الْكُتَّابِ أَخْطَئُوا فِي الْكِتَابِهَذَا إِسْنَادٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ الشَّيْخَيْنِ.

ইতকানে সুউতি  ফাজাইলে কুরান থেকে (এই হাদিস সামান্য মতনে পরিবর্তনে) আবু মুয়াবিয়া – হিসাম- উরুয়া থেকে উল্লখে করে লিখেছেঃ “…………………… এই ইসনাদ শাইখাইনের (বুখারি ও মুস্লিমের) শর্তে সহিহ”। (ইতকান খন্ড পাতা ৩৯০ রেসালা পাব্লিকেশন)

আরো উক্ত কেতাবের  ৩৯২ এ উল্লখ করেছেনঃ

وبعد فهذه الأجوبة لا يصلح منها شيء عن حديث عائشة أما الجواب بالتضعيف فلأن إسناده صحيح كما ترى

“আয়শার থেকে এই সনদ যাইফ বলে যে জবাব দেওয়া হয় তাতে কোন জোর/আসল নেই। (বরং) এর সনদ সাহিহ”।

এক্ষেত্রে উসমানের শিয়ারা কবে আইয়শার বিরুদ্ধে কুফিরি ফতোয়া দিচ্ছে সেটাই দেখার বিষয়।

৪) সুন্নিদের মতে যারিয়াতের আয়াতে ভুল আছে এবং আল্লাহের নাম সর্বনাম দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

সুরা যারিইয়াত আয়াত নং ৫৮

إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ

উচ্চারনঃ ইন্নাআল্লাহ হুয়া রাজ্জাকু জুল কুয়াতিল মাতীন।

বাংলা মানেঃ আল্লাহই রিয্ক দান করেন এবং তিনি প্রবল, পরাক্রান্ত।

কিন্তু সুন্নিদের প্রবল দাবী এখানে আল্লাহ বলে না হবে ‘আমি’! এই বিষয়ে তারা সুনান আত তিরমিযি থেকে ইবনে মাসুদের হাদিস বর্ননা করে তাদের দাবীর স্বপখ্যে।

حدثنا عبد بن حميد حدثنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحق عن عبد الرحمن بن يزيد عن عبد الله بن مسعود قال أقرأني رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أنا الرزاق ذو القوة المتين قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .

“২৯৪০. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) …… আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পড়িয়েছেনঃ

(إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ)

মতন সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) ( অনলাইন লিংক)

আজীব ব্যাপার এখানে হাদিসে বাংলায় ওই অংশটা অনুবাদ করেনি! সুতরাং এই সাহিহ হাদিস অনুজাই  সুন্নিদের দাবী যে কুরানে এখন যে আছে إِنَّ اللَّهَ ইন্না আল্লাহ হবে না বরং ইন্নি আনা হবে।

এখানে আহলে সুন্নাহ কি বলবেন যে ইবনে মাসুদের সাক্ষী যে রাসুল সাঃ নিজেই এটা শিক্ষা দিয়েছেন। ইমাম তিরমিযি নিজেই এটাকে সাহিহ বলেছেন। সুতরাং এখানে আহলে সুন্নাহের দুটি রাস্তা খোলা আছে। উসমানকে কুরান বিকৃতির দায়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো বা ইবনে মাসউদ রাঃ কে কুরানে বিকৃতিরতে বিস্বাস কারী হিসাবে ঘোষনা করা।

৫) সুন্নি মতে সাহাবী ইবনে আব্বাস রাঃ সুরা রাদ এ ভুল আছে বলে বিস্বাস করতেন।

 আমরা এখন সুরা রাদের ৩১ নং আয়াত এই ভাবে পড়িঃ

 وَلَوْ أَنَّ قُرْآنًا سُيِّرَتْ بِهِ الْجِبَالُ أَوْ قُطِّعَتْ بِهِ الأَرْضُ أَوْ كُلِّمَ بِهِ الْمَوْتَى بَل لِّلّهِ الأَمْرُ جَمِيعًا أَفَلَمْ يَيْأَسِ الَّذِينَ آمَنُواْ أَن لَّوْ يَشَاء اللّهُ لَهَدَى النَّاسَ جَمِيعًا وَلاَ يَزَالُ الَّذِينَ كَفَرُواْ تُصِيبُهُم بِمَا صَنَعُواْ قَارِعَةٌ أَوْ تَحُلُّ قَرِيبًا مِّن دَارِهِمْ حَتَّى يَأْتِيَ وَعْدُ اللّهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ

যদি কোন কোরআন এমন হত, যার সাহায্যে পাহাড় চলমান হয় অথবা যমীন খন্ডিত হয় অথবা মৃতরা কথা বলে, তবে কি হত? বরং সব কাজ তো আল্লাহর হাতে। ঈমানদাররা কি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় যে, যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে সব মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করতেন? কাফেররা তাদের কৃতকর্মের কারণে সব সময় আঘাত পেতে থাকবে অথবা তাদের গৃহের নিকটবর্তী স্থানে আঘাত নেমে আসবে, যে, পর্যন্ত আল্লাহর ওয়াদা না আসে। নিশ্চয় আল্লাহ ওয়াদার খেলাফ করেন না।

কিন্তু আহলে সুন্নাহের দাবী “আফালাম ইয়াই আসিল্লাযীনা” (উপরে আরবিটা লাল ও বোল্ড করা অংশ)   এটা ভুল আর ভুলের কারণ তন্দ্রা আচ্ছন্ন লেখকের জন্য। এই বিষয় প্রমান করার জন্য আহলে সুন্নাহ ইবনে আব্বাস রাঃ এর হাদিস তুলে ধরে যা আমরা নিচে উল্লেখিত আহলে সুন্নাহের কেতাব সমূহ থেকে পাই।

১। আল ইতকান, আল্লামাহ সুয়ুতি

২। তাফসীর দুরররুল মানসুর, আল্লামাহ সুয়ুতি। সুরা রাদ এর ৩১ নং আয়াত প্রসঙ্গে।

৩। ফাতহুল বারী সারাহা সাহিহ আল বুখারি। খন্ড ৮ পাতা ৩৭৩।

ইতকানে আমরা পড়ি (স্ক্যানের জন্য ক্লিক করুন)

 “ইবনে আব্বাস এই আয়াত এই ভাবে পড়লেন “আফালাম ইয়াতবাইন আল্লাযীনা…”।তাঁকে বলা হল যে এটা ‘আফালাম ইয়াই আসিল্লাযীনা”, তাতে ইবনে আব্বাস উত্তর দিলেন ‘লেখক “ইয়াই আসি يَيْأَسِ” লিখেছে আমার মনে হয় যে সে লেখার সময় জাগ্রত ছিল না”।

আহলে সুন্নাহের ইমাম হাফেজ ইবনে হাজর আস্কালানী তার সাহিহ বুখারির শারাহে লিখেছেনঃ

وروى الطبري وعبد بن حميد بإسناد صحيح كلهم من رجال البخاري عن ابن عباس أنه كان يقرؤها ‏”‏ أفلم يتبين ‏”‏ ويقول‏:‏ كتبها الكاتب وهو ناعس

এবং তাবারী এবং আব্দ বিন হামীদ সহিহ সনদে যারা প্রত্যেক রাবী বুখারীর, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ননা করেছে যে তিনি পড়লেন “আফালাম ইয়াতবাইন”  আর বলেন যে লেখক ‘ইয়াই আসি  يَيْأَسِ’ লিখেছে যখন সে তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিল”। (স্ক্যানের জন্য ক্লিক করুন)

এখানে দুটি ব্যাক্যের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে এবং শব্দ দুটির মধ্যে উচ্চারনের ও আনেক পার্থক্য। ইবনে আব্বাসের মতে এটা হয়েছে কাতেবের তন্দ্রা আচ্ছন্নতার কারনে।

এটাকে নাসেবিরা কেরাতের ভিন্নতা বলে চালাতে পারে না কারণ ইবনে আব্বাস এই কথা বলেনি যে ওটাও সঠিক বরং তিনি এই ভুলের কারণ হিসাবে কাতেবের অবস্থাকে দায়ী করেছেন।

৬) দেওবন্দিদের আকীদা যে কুরানে বিকৃতি ঘটেছে।

   দেওবন্দিদের প্রায় দেখা যায় শিয়া আলেম নূরী তাবরাসীর কেতাব নিয়ে শিয়া বিরোধী প্রপাগন্ডা চালাতে। এই দেওবন্দিরা ইয়াজিদের উপর রাহিমুল্লাহ বলার ফতোয়া দেয় এবং শীয়া বিরোধী ফতোয়া দিয়ে সন্ত্রাসী কার্য্যক্রমের মধ্যেমে শীয়াদের মসজিদে বোমা মারে এবং হত্যা করে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষ্যে দেওবন্দিদের আকাবীরদের আকীদা কুরানে বিকৃতি ঘটেছে। এই বিষয় তাদের আকাবীর আনোয়ার শাহ কাশ্মীরীর কেতাব থেকে তুলে ধরা হবে।

দেওবন্দি আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী তাঁর সাহিহ বুখারির ব্যাখ্য ‘ফায়েজ আল বারী’ এ খন্ড ৪ পাতা ৯৮ এ লিখেছেঃ (স্ক্যানের জন্য ক্লিক করুন)

فإِنَّ التحريفَ المعنويِّ غيرُ قليل فيه أيضًا، والذي تحقَق عندي أن التحريفَ فيه لفظيُّ أيضًا، أما إنه عن عمد منهم، لمغلطة. فا تعالى أعلم به

“সামান্য কিছু অর্থে বিকৃতি হয়নি। আমার কাছে এটা গবেষণায় প্রমাণিত যে শব্দে (লাফজ) কিছু তাহরিফ ( বিকৃতি) হয়েছে। এই তাহরীফ ইচ্ছাকৃত ভাবে বা ভুল করে করেছে”।

দেওবন্দি আকাবীর আশরাফ আলি থানবী উচ্চ প্রশংষা করেছে কাশ্মীরী সাহেবকে, থানবি সাহেব একবার কাশ্মীরী সাহেবের দারসে বসে শুনেছেন। তাঁর দারস শুনে বলেন সে ‘শাহ সাহেবের প্রতিটা ব্যাক্য একটা কেতাবে প্রনিত করা যায়।( আনোয়ার আল বারী ২/২৩৫) থানবী সাহেব আরো বলেছেন যে তিনি কাশ্মীরী সাহেবের থেকে প্রচুর উপকৃত হয়েছে আর তার প্রতি তার সম্মান তার অন্যান্য উস্তাদের মতই যদিও শাহ সাহেবের ছাত্র নই আমি। (দেখুন আনোয়ার আল বারী ২/২৩৫)

আনোয়ার শাহ কাশ্মীরী দেওবন্দিদের আয়াতুল্লাহ ( আল্লাহের নিদর্শন) বলে দেওবন্দিরা বলে। (দেখুন আখবারে উলামায়ে দেওবন্দ, পাঃ৯৮)

এক্ষেত্রে দেওবন্দি নাসেবীরা একটা অজুহাত খাড়া করে যে আনোয়ার শাহ সাহেব এটা বলে কুরানের তাহরিফ বোঝাতে চাইছেন না বরং তিনি পুর্ববর্তি কেতাবের কথা বলতে চেয়েছেন।

 হিন্দার পুত্রদের পালাবার পথ নেই তাই তারা এই কথা বলে পাশ কাটাবার চেস্টা করছে, পুর্ববর্তি কেতা গুলিতে তাহরীফ হয়েছে সেটা সমস্ত মুসলিম উম্মাহ মানে এবং কুরানেই (০৪:৪৬ এবং ২:৭৫) বর্নিত হয়েছে। এখন কি নাসেবীরা বলতে চাইছে যে পুর্ববর্তি কেতাব গুলিতে অর্থের কোন পরিবর্তন হয় নি? শুধু শব্দের পরিবর্তন হয়েছে?

কাশ্মীরী সাহেব কি কুরানের আয়াতগুলি ছেড়ে নিজে রেসার্চ করে তাহকুক করে পুর্ববর্তি কেতাবের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছিয়েছে? প্রকৃত পক্ষ্যে কাশ্মীরী সাহেব কুরানের কথাই বলছে।

আহলে সুন্নাহের লেখকগন এটাকে উল্লেখ করেছেন। যেমন এখান থেকে পড়তে পারেন

৭) সাহাফীদের প্রিয় ইমাম ইবনে হজম, উসমানের সঙ্কলনকৃত কুরানের বিশুদ্ধতার উপর সন্দেহ করেছে।

ইবনে হজম তার ‘আল আহকাম ফি উসুল আল আহকাম’ এর খন্ড ১ পাতা ৫২৮ এ উল্লেখ করেছেনঃ

قال أبو محمد : فهذه صفة عمل عثمان رضي الله عنه ، بحضرة الصحابة رضي الله عنهم في نسخ المصاحف، و حرق ما أحرق منها مما غير عمداً و خطأً

“আবু মুহাম্মাদ বলেছেনঃ এই হল উসমানের কার্য্যক্রমের বর্ননা, সাহাবাদের উপস্থিতিতে তিনি মুসহাফ নকল করেছিলেন। তিনি তাদের (মুসহাফ) থেকে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন যা তিনি পুড়িয়ে দিয়েছেন সেগুলি তিনি জেনে বা ভুল করে পরিবর্তন করেছিলেন”।

৮) সালাফি ওহাবী দের গুরু ও প্রফেট ইবনে তাইমিয়া এর সাক্ষী যে সালাফরা কুরানের আয়াতকে অস্বীকার করত ও কুরানের আয়াত পরিবর্তন করতো।

ইবনে তাইমিয়াঃ

“উনুরুপ ভাবে কিছু সালাফ কুরানের কিছু শব্দ অস্বীকার করতেন উদাহরণ স্বরূপ তাদের কিছু এই আয়াতকে অস্বীকার করতেন {أَفَلَمْ يَيْأَسِ الَّذِينَ آمَنُوا} (১৩:৩১)আর বলতেন এটা হবে أو لَمْ يَتَبَيَّنْ الَّذِينَ آمَنُوا আর অন্যরা (অন্যা সালাফরা) এই আয়াতের পাঠ অস্বীকার করতেন {وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إلَّا إيَّاهُ}(১৭:২৩)  তারা বলতেন এটা হবে وَوَصَّى رَبُّك , এবং তাদের মধ্যে কিছু মঊযাতাইনকে (তাদের কুরানের কপি থেকে) মুছে দিতেন আর অন্যরা ‘সুরাতুল কুনুত’(!) লিখেতেন, এইগুলি জানা ভুল এবং এইগুলি ইজমা ও মুতাওয়াতির বর্ননার মাধ্যমে জানা। আর যদি এটা তাদের কাছে (সালাফদের) তাওয়াতুর বর্ননায় প্রমান নেই তাই তারা কাফের নয়। কাউকে মুতাওয়াতির প্রমান দেখানোর পরে (যদি সে অস্বীকার করে) তবেই সে কাফের হবে”।

(মজমা’আ আল ফাতোয়া খন্ড ১২ পাতা ৪৯২,৪৯৩, স্ক্যানের জন্য ক্লিক করুন)

ইবনে তাইমিয়া প্রথমে এই বাস্তবতাকে ( যে সাহাবী/সালাফরা কুরানে কিছু কিছু পরিবর্তন হয়েছে বলতেন) স্বীকার করে নিয়ে তার পরে ডিফেন্স করা ব্যর্থ চেস্টা করেছেন। ইবেন তাইমিয়া যেটা বলতে চেয়েছেন তা হল সাহাবা বা সালাফদের কছে মুতাওয়াতির ভাবে ওই গুলির (আসল আয়াত গুলির) প্রমান ছিল না তাই তারা অন্য রকম বলেছে।

 এর জবাব খুব সোজা কারণ ইবনে তাইমিয়ার এই কথায় কোন সারবস্তু নেই, কেননা সুন্নি মতে সাহাবীরা কুরান ডাইরেক্ট রাসুল সাঃ এর থেকে শুনেছেন। আর ইবনে তাইমিয়ার কাছে কি প্রমান আছে যে তাদের কাছে এটা মুতাওয়াতির ভাবে প্রমাণিত নয়? সাহাবীদের কাছে কোন কিছু প্রমানের জন্য মোতাওয়াতির রেওয়াইত লাগে না।

 যাইহোক এখানে এটা যথেষ্ট যে ইবনে তাইমিয়ার জানেন ও মানেন যে সালাফরা কুরানে পরিবর্তনের কথা বলতেন যা মোতাওয়াতির ভাবে প্রমাণিত।

 ওহাবী সালাফী দেওবন্দি ও নতুন উতপন্ন মিনহাজে মুয়াবিয়ার তরীকতী পীরী মুরুদীরা (প্রকৃত তরীকতীরা এক্সক্লুডেড) শিয়া বিরোধী প্রপগন্ডা চালায় যে শীয়ারা কুরানে তাহরীফ মানে তাই তারা কাফের যা ফেসবুক ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গাতে গন্ড মুর্খের মত প্রচার করে। তাদেরকে একটু আয়না দেখিয়ে দেওয়া হল। সামান্য কিছু কেননা আহলে সুন্নাহের কেতাবে প্রায় ২০০ এর উপরে কুরান বিকৃতির উপর সালাফদের রেওয়াইত আছে। এবং শীয়া কেতাবে এই ব্যাপারে যত রেওয়াইত আছে তার ১০ গুনের ও বেশী সুন্নি কেতাবে আছে। শীয়া কেতাবে থাকার কারনে যদি শীয়ারা কাফের হয় তবে সুন্নিরাও ১০০ শতাংশ কাফের এবং সেই সাথে সুন্নি কেতাবে উল্লিখিত সাহাবী উম্মুল মোমেনিনদের উপর ও সুন্নিদের দেওয়া কুফরির ফতোয়া পড়বে।