ইয়াযিদ লানাতুল্লাহ মদ্যপায়ী ছিল

ইমাম ধাহাবি লিখেনঃ যিয়াদ হারসি বর্ণনা করেন যেঃ “ইয়াযিদ আমাকে মদপান করতে দিল, আমি এরকম মদ এর আগে কখনো পান করি নেই এবং আমি জিজ্ঞাসা করলাম সে এই মদের উপাদান কোথা থেকে সংগ্রহ করেছে”। ইয়াযিদ উত্তর দিল,”এটি মিষ্টি ডালিম, ইসফাহানের মধু, হাওয়াযের চিনি, তায়েফের আঙ্গুর এবং বুরদাহের পানি দিয়ে তৈরি”।

আহমেদ বিন মাসামা বর্ণনা করেন যে,” একদিন ইয়াযিদ মদপান করে নাচতে শুরু করলো, হঠ্যাৎ ইয়াযিদ মাটিতে পরে যায় এবং তার নাক থেকে রক্তপাত হতে থাকে।

ইমাম ধাহাবি(র) লিখেনঃ আমি বললাম,”যখন সে মদীনাবাসীর সাথে যা করলো তা করার পর এবং ইমাম হুসায়ন(আঃ),তার ভাই এবং পরিবারবর্গকে হত্যা করার পর, ইয়াযিদ(লাঃ) মদপান করে এবং জঘন্য কাজ সম্পাদিত করে, তারপর মানুষরা তাকে ঘৃণা করতে লাগলো এবং তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। আল্লাহ তার উপর মহিমা কীর্তন করেন নেই এবং আবু বিলাল মিরদাস বিন আদইয়া আল-হানযালি তার বিদ্রোহ করে।

আল্লামা আলুসি বললেনঃ “এবং আমি বলি যা আমার মাথায় প্রাদুর্ভূত হচ্ছে যে (ইয়াযিদ) খাবিত রাসূলুল্লাহর(সাঃ) রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়নি। আমার মতে ইয়াযিদের মতো লোককে অভিশাপ দেওয়া সঠিক, কেও তার মতো ফাসিকের কল্পনা করতে পারে না এবং বস্তুত সে কখনই অনুশোচিত(আস্তাগফার) করেনি, তার অনুশোচিত(আস্তাগফার) করার সম্ভাবনা তার ঈমানের চেও দূর্বল। ইয়াযিদের পাশাপাশি, ইবনে যিয়াদ, ইবনে সা’আদ এবং তার দলকেও(গোত্র) অনতর্ভুক্ত করা হবে। নিশ্চয়ই, আল্লাহর অভিশাপ যেন তাদের সকলের উপর থাকে, তাদের বন্ধু-বান্ধব, তাদের সমর্থনকারী, তাদের গত্র এবং সে সকলের উপর যারা তাদেরকে প্রণত করে কিয়ামত পর্যন্ত এবং ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ পর্যন্ত চোখ আবু আব্দুল্লাহ হুসায়নের(আঃ) জন্য অশ্রু ঝরাতে থাকবে।